ক্যাশ অন ডেলিভারি কী?
ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) মানে কাস্টমার এখন অর্ডার দেন, টাকা দেন দরজায়। কুরিয়ার প্রোডাক্টের দাম আর ডেলিভারি চার্জ তুলে নেয়, নিজের ফি কেটে বাকিটা সেলারকে পাঠায়।
ক্রেতার কাছে এতে ভয় নেই। সেলারের কাছে, কাস্টমার টাকা না দেওয়া পর্যন্ত প্রোডাক্ট আর ডেলিভারি খরচ ঝুঁকিতে থাকে।
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশের এফ-কমার্সে COD-ই স্বাভাবিক নিয়ম। যে পেজ COD দেয় না, কাস্টমার সাধারণত অন্য পেজে চলে যান। কিন্তু খরচ আছে:
- ফেরত পার্সেল। কাস্টমার মত বদলান বা ফোন ধরেন না, পার্সেল হয়ে যায় রিটার্ন টু অরিজিন।
- ভুয়া অর্ডার। ভুল নম্বর আর অসম্পূর্ণ ঠিকানায় কুরিয়ারের ট্রিপ নষ্ট হয়।
- টাকা আসতে দেরি। কুরিয়ার সেটেলমেন্টের পরেই টাকা আসে।
সমাধান হলো কনফার্ম করা, সম্পূর্ণ অর্ডার: মোট টাকাসহ পরিষ্কার সামারি, ঠিক ফোন নম্বর আর পুরো ঠিকানা।
উদাহরণ
চ্যাটে দুটি কুর্তির অর্ডার এল। শপ সামারি পাঠাল: প্রোডাক্ট, ঢাকার বাইরের ডেলিভারি চার্জ, ডেলিভারিতে দেওয়ার মোট টাকা। SaleMag-এর এআই অর্ডার টেকিং চ্যাটের অর্ডার COD হিসেবেই নেয়, আর কাস্টমারের বেছে নেওয়া এলাকার ডেলিভারি চার্জ যোগ করে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
বাংলাদেশে কেন বেশিরভাগ কাস্টমার COD চান?
হাতে পেয়ে দেখে টাকা দেওয়া যায়, অচেনা পেজকে আগে টাকা পাঠানোর ঝুঁকি থাকে না।
ভুয়া বা বাতিল COD অর্ডার কীভাবে কমাব?
পাঠানোর আগে মেসেজ বা কলে অর্ডার কনফার্ম করুন, পুরো ঠিকানা নিন, ডেলিভারির দিন রিমাইন্ডার দিন, আর দামি বা দূরের অর্ডারে অল্প অগ্রিম নেওয়ার কথা ভাবুন।
ডেলিভারি চার্জ কে দেবেন?
সেটি সেলারের সিদ্ধান্ত। অনেক শপ ঢাকার ভেতরে-বাইরে আলাদা চার্জ ধরে মোট টাকার সাথে যোগ করে।
লেখক পরিচিতি
হোয়াটসঅ্যাপ ও এফ-কমার্স অটোমেশন, ঢাকা
ঢাকার যে টিম সেলম্যাগ বানায়: বাংলাদেশের অনলাইন বিক্রেতাদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার আর ইনস্টাগ্রামের এআই সেলস ইনবক্স।